জাতীয়

জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি লাইন বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

মোঃ নাহিদ হোসেন এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ এবং প্রতিটি লাইন বাস্তবায়নের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা থেকে একচুলও সরে আসার সুযোগ নেই।

 

মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী-এর কবর জিয়ারত শেষে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির উদ্যোগে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।


‘সবার আগে সই করেছে বিএনপি’

সমাবেশে তারেক রহমান বলেন,
সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ড. ইউনূসের আহ্বানে যখন জুলাই সনদে সই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়, তখন সবার আগে বিএনপি সেখানে উপস্থিত হয়ে সই করে।

“আমি আজ পরিষ্কারভাবে বলতে চাই—বিএনপি জুলাই সনদে সই করেছে। সেই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি লাইন ইনশা আল্লাহ আমরা বাস্তবায়ন করব,”—বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে যারা জুলাই সনদ নিয়ে বেশি উচ্চকণ্ঠ, তাদের অনেকেই শুরুতে এতে অংশ নেয়নি।
“যারা এখন আন্দোলনের কথা বলে, তাদের প্রশ্ন করা যায়—তখন কেন তারা সই করেনি?”—যোগ করেন তিনি।


‘বাস্তবায়নে কোনো নড়চড় হবে না’

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন,
বিএনপি যে সনদে সই করেছে এবং যেখানে অন্যান্য রাজনৈতিক দলও যুক্ত হয়েছে, সেই সনদের বাস্তবায়নে কোনো ধরনের আপস হবে না।

“আমরা আবারও স্পষ্ট করে বলতে চাই—এই সনদ বাস্তবায়নে কোনো নড়চড় হবে না,”—বলেন তিনি।


জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান

তারেক রহমান জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন,
বিএনপির বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি—খাল খনন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও পেশাদার খেলোয়াড় তৈরির উদ্যোগ—বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই তা প্রতিহত করা হবে।

তিনি বলেন,
“আমাদের সজাগ থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে। কারা আবার দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়, তা জনগণকে বুঝতে হবে।”


নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য

বগুড়া ও শেরপুরে অনুষ্ঠিত নির্বাচন ও উপনির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন,
যেসব এলাকায় নির্বাচন হয়েছে, সেখানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে কিছু স্থানে পরিকল্পিতভাবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

“যেখানে ঘটনা ঘটছে না, সেখানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হচ্ছে—এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত,”—বলেন তিনি।


কৃষি খাতের গুরুত্ব

সমাবেশে কৃষি খাতের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
“কৃষক ভালো থাকলে পুরো বাংলাদেশ ভালো থাকবে।”

তিনি কৃষকদের জন্য সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, বিশেষ করে কৃষক কার্ড চালুর বিষয়টি তুলে ধরেন এবং বলেন, এটি কৃষকদের জন্য বড় সহায়তা হবে।


সমাবেশ ও অংশগ্রহণকারীরা

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন।
এতে মন্ত্রিসভার সদস্য, স্থানীয় সংসদ সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।


দিনব্যাপী কর্মসূচি

এর আগে দিনের শুরুতে তারেক রহমান ঢাকা থেকে সড়কপথে টাঙ্গাইলে পৌঁছান।
সন্তোষে পৌঁছে তিনি মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী-এর কবর জিয়ারত করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

পরে তিনি টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে বৈশাখী কৃষি মেলার উদ্বোধন করেন, বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ডের পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এরপর জোহরের নামাজ আদায় ও মধ্যাহ্নভোজের জন্য সার্কিট হাউসে যান তিনি।

 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
আজ হজযাত্রার প্রথম ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এ বছর বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীদের প্রথম ফ্লাইটটি শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাত ১২টা ২০ মিনিটে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে।   এদিন মোট ১৪টি ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এর মধ্যে ছয়টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, চারটি সৌদি আরবের সাউদিয়া এবং চারটি ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স।   বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।   এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ হজযাত্রী পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব যাবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ এবং বেসরকারি হজ এজেন্সির মাধ্যমে ৭৩ হাজার ৯৩৫ হজযাত্রী হজ পালন করবেন।   সৌদি আরবের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হজচুক্তি অনুযায়ী মোট হজযাত্রীর ৫০ শতাংশ পরিবহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বাকি অংশের মধ্যে ৩৫ শতাংশ পরিবহন করবে সাউদিয়া এবং ১৫ শতাংশ পরিবহন করবে ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স।   প্রি-হজ ফ্লাইট চলবে ২১ মে পর্যন্ত। মোট ২০৭টি প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১০২টি, সাউদিয়া ৭৫টি এবং ফ্লাইনাস ৩০টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে।   চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে এবং তা ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ফেরি থেকে চালকসহ শীতলক্ষ্যায় প্রাইভেটকার

ছবি: সংগৃহীত

বিসিএস নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বৈষম্য ও অনিয়মের অভিযোগ, ৫ দফা দাবি প্রত্যাশীদের

ছবি: সংগৃহীত

চাচাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ গেল ৫ বছরের শিশুর

ছবি: সংগৃহীত
বন্যা ও নদীভাঙন রোধে বাঁধ নির্মাণের দাবি এমপি রফিকুল আলমকে খোলা চিঠি

ফেনী-১ আসনে বন্যা ও নদীভাঙন প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে নদী-খাল খনন এবং টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম মজনুকে খোলা চিঠি দিয়েছে শিক্ষামূলক সামাজিক সংগঠন ‘রাহবার’।   বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে পরশুরাম উপজেলা প্রাঙ্গণে এমপির হাতে এ খোলা চিঠি তুলে দেওয়া হয়।   এ সময় সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।   খোলা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার পরও এখন পর্যন্ত স্থায়ী প্রতিরোধমূলক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। বিশেষ করে বল্লামুখা বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন না হওয়ায় আসন্ন বর্ষা মৌসুমে আবারও বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।   এতে আরও বলা হয়, এলাকার নদী ও খালগুলো পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে ভয়াবহ বন্যা ও নদীভাঙনের ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে।   স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা ও টেকসই সমাধানের স্বার্থে দ্রুত নদী ও খাল খনন এবং শক্তিশালী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানানো হয় খোলা চিঠিতে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষকদের মর্যাদা ও ক্ষমতা নিশ্চিত করলেই শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব: অদুদ

ছবি: সংগৃহীত

ডিএমপির তিন থানার ওসিসহ ৫ কর্মকর্তাকে বদলি

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ–ইইউ অংশীদারিত্ব চুক্তির প্রাথমিক কাঠামো সইয়ের পথে অগ্রগতি

ছবি: সংগৃহীত
বান্দরবানে নদীতে গোসল করতে নেমে পর্যটকের মৃত্যু, ৬ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার

বান্দরবানের লামা উপজেলায় মাতামুহুরী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া এক পর্যটকের মরদেহ ৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে।   বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।   নিহত আব্দুল ওয়াদুদ সায়েম (২১) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাকখালী কদল ভূঁইয়া এলাকার বাসিন্দা এবং মো. সাইফুল্লাহর ছেলে।   স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরের দিকে সায়েমসহ ছয়জনের একটি পর্যটক দল লামার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের মিনঝিরি এলাকায় অবস্থিত একটি রিসোর্টে ওঠেন। পরে তারা কাছাকাছি সাদাপাহাড় এলাকার মাতামুহুরী নদীতে গোসল করতে যান। এ সময় সায়েম হঠাৎ পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন।   রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, নদীর গভীর অংশে না যেতে সতর্কতা হিসেবে লাল পতাকা স্থাপন করা ছিল এবং পর্যটকদের বারবার সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সতর্কতা অমান্য করে গভীরে চলে যাওয়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।   খবর পেয়ে লামা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দুপুর দেড়টা থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু করে এবং দীর্ঘ চেষ্টা শেষে সন্ধ্যায় মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।   লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার সারাওয়াকে বাংলাদেশি কর্মী নিতে সম্মতি

ছবি: সংগৃহীত

ইয়ুথ অলিম্পিকে নেই শুটিং-আরচ্যারি, হতাশ বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

রিটের ফাইল গোপন রাখার অভিযোগে অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

0 Comments