অর্থনীতি

চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮ জাহাজ

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ০৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানি নিয়ে অনিশ্চয়তার সময় চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮টি জাহাজ।


রোববার (৮ মার্চ) সকালে জ্বালানিবাহী এসব জাহাজ বন্দরে নোঙর করে। জাহাজগুলো ২৮ ফেব্রুয়ারির আগেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে।


বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার আগেই পারস্য উপসাগরীয় দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মোট ১০টি জাহাজ চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয় এবং সেগুলো পৌঁছাতে শুরু করেছে বলে জানা গেছে। চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো ও পথে থাকা এসব জাহাজের মধ্যে চারটিতে রয়েছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং দুটিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)। এছাড়া ডিজেলসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি পণ্য নিয়ে আরও চারটি জাহাজ এসেছে। সব মিলিয়ে এসব জাহাজে প্রায় পৌনে চার লাখ টন তেল-গ্যাস রয়েছে।


গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা এবং তেহরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার কারণে হরমুজ প্রণালি ঘিরে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফলে বিশ্বজুড়ে তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ ঝুঁকির মুখে পড়েছে।


হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে ইরাক, ইরান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব—এই সাত দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের পণ্য আনা-নেওয়া হয়। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রণালির পাশের দেশ ওমান থেকেও ওমান উপসাগরীয় পথে পরিবহন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। পারস্য উপসাগর থেকে এ প্রণালি পেরিয়ে ওমান উপসাগর, আরব সাগর, ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর হয়ে বাংলাদেশে জাহাজ আসে।


এমন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কতগুলো জ্বালানিবাহী জাহাজ আসছে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কায় গত শুক্রবার জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অর্থনীতি

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
৯ লাখ কোটি টাকার বাজেট আসছে, প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানে জোর

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ কোটি টাকার বাজেট প্রণয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। অর্থ বিভাগের সূত্র অনুযায়ী, বাজেটের আকার চূড়ান্ত না হলেও এটি ৯ লাখ থেকে ৯ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে হতে পারে। নতুন বাজেটে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বাজেট প্রণয়নের নির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান, যিনি বলেছেন এটি হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সেরা বাজেট। তিনি অর্থ বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বাজেট ঘাটতি পূরণে ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানোর নির্দেশ দেন এবং রাজস্ব আদায় বাড়ানোর ওপর জোর দেন। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে বাজেটের আকার বৃদ্ধি অপরিহার্য। ব্যবসা-বান্ধব নীতি গ্রহণের মাধ্যমে কর আদায় বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈশ্বিক অস্থিরতা, জ্বালানি সংকট, মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি এবং বৈদেশিক ঋণের চাপ বাজেট প্রণয়নের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবারের বাজেটে তিন বছর মেয়াদি পরিকল্পনা যুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডসহ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদারে রপ্তানি বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ

ছবি: সংগৃহীত

ডিএসইতে লেনদেন বাড়লেও অধিকাংশ শেয়ারের মূল্যহ্রাস

ফাইল ছবি

স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির অডিটে ৭২ হাজার ৩৪১ আয়কর রিটার্ন

আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে বিসিসিসিআই কার্যালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের আহ্বান বিসিসিসিআই’র

বাংলাদেশের টেক্সটাইল, ডাইং ও প্রিন্টিং খাতে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই)।  সংগঠনটির নেতারা বলছেন, উচ্চমূল্যের পোশাক উৎপাদনে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়ানো ও বিদ্যমান শিল্প কারখানাগুলোর আধুনিকায়নে বিদেশি সহযোগিতা এখন সময়ের দাবি। আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে বিসিসিসিআই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ আহ্বান জানানো হয়।  বৈঠকে চীন ন্যাশনাল টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল কাউন্সিল, চায়না ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং অ্যাসোসিয়েশন এবং ডাইং, প্রিন্টিং ও কেমিক্যাল উৎপাদন খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত ২০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। বৈঠকে বাংলাদেশ পক্ষের নেতৃত্ব দেন বিসিসিসিআই’র সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম।  তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের শিল্প উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই খাতগুলোর প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ, দুই দেশের সহযোগিতার এক নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।  বৈঠকটি টেক্সটাইল, ডাইং ও প্রিন্টিং খাতে জ্ঞান বিনিময় ও ফলপ্রসূ সংলাপের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। খোরশেদ আলম আরও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের ৪০টির বেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান আর্থিক ও কারিগরি চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। এ বাস্তবতায় নতুন কারখানা স্থাপনের পরিবর্তে বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠান আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে বিদেশি সহযোগিতা অধিক কার্যকর ও ব্যয়-সাশ্রয়ী হতে পারে।  তিনি চীনা বিনিয়োগকারীদের যৌথ উদ্যোগ, অংশীদারত্ব ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। বৈঠকে চীনা প্রতিনিধিদলের নেতা লি লিংশেন বলেন, চীন প্রতিবছর প্রায় ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাপড় বাংলাদেশে রপ্তানি করে, যা দুই দেশের শক্তিশালী বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রতিফলন।  তিনি জানান, চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বিনিয়োগের সুযোগ সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে। তিনি বলেন, শক্তিশালী উৎপাদন সক্ষমতা ও দক্ষ জনশক্তির কারণে, বাংলাদেশ টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পে একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য।  ভবিষ্যতেও দ্বিপক্ষীয় শিল্প সহযোগিতা জোরদারে বিসিসিসিআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। বৈঠকে পোশাক, টেক্সটাইল, ডাইং ও প্রিন্টিং খাতে সহযোগিতা বাড়াতে উভয় পক্ষ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।  আলোচনায় যৌথ উদ্যোগ ও কৌশলগত অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ, বাংলাদেশে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠা, দেশীয় ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলা, সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালীকরণ ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। সংশ্লিষ্টরা বলেন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে, বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক খাতকে উচ্চমূল্য সংযোজনমুখী উৎপাদনে যেতে হবে। আর সে ক্ষেত্রে চীনা প্রযুক্তি, দক্ষতা ও বিনিয়োগ বড় ভূমিকা রাখতে পারে। বৈঠকে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে টেকসই শিল্পায়ন ও দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে একমত হয় উভয় পক্ষ। বিসিসিসিআই’র পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেনÑ সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল জামিলুর রহমান, সভাপতির উপদেষ্টা হারুন আর রশিদ ও শহীদ আলম, সহ-সভাপতি খন্দকার আতীকুর রহমান ও মাসুদ আলী খান, পরিচালক (জনসংযোগ) মো. জিন্নাতুল ইসলাম, পরিচালক মোহাম্মদ আমানুর রহমান ও নির্বাহী পরিচালক মো. আবু তাহেরসহ অন্যান্য সদস্যরা।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি এপ্রিল ২৮, ২০২৬ 0
আগারগাঁওয়ের রাজস্ব ভবনে তামাক খাতের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় সরকারের এ পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। ছবি: সংগৃহীত

সিগারেটের প্যাকেটে কিউআর কোড, কর ফাঁকি ধরলে পুরস্কার

ছবি: সংগৃহীত

ডব্লিউটিও নোটিফিকেশন বিষয়ক প্রশিক্ষণ: বৈশ্বিক-বাণিজ্যে আপডেট থাকতে সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ

ছবি: সংগৃহীত

৩০ বছর পর বেপজার সঙ্গে চুক্তি নবায়ন যুক্তরাজ্যভিত্তিক এক্সপেরিয়েন্স ক্লদিংয়ের

ছবি: সংগৃহীত
ট্রাস্ট ব্যাংক এর ইউনিয়নপে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড উদ্বোধন

ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের ইউনিয়নপে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড চালু করেছে। ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি এর চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান রোববার রাতে ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে নতুন কার্ডসমূহ উন্মোচন করেন।  অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্ট ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হোসাইন আল মোরশেদ; বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার; ইউনিয়নপে ইন্টারন্যাশনাল এর সিইও ল্যারি ওয়াং; ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও আহসান জামান চৌধুরী; ইউনিয়নপে ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ম্যানেজার মো. মাসুদ রায়হান; ট্রাস্ট ব্যাংক এর ইভিপি এবং হেড অব কার্ডস মো: মোস্তফা মুশাররফ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ। ইউনিয়নপে কার্ডের উদ্বোধন ট্রাস্ট ব্যাংকের বৈশ্বিক পেমেন্ট সল্যুশন সম্প্রসারণ এবং গ্রাহক সুবিধা বৃদ্ধির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। নতুন চালু হওয়া এই কার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রাহকরা দেশ-বিদেশে ইউনিয়নপে নেটওয়ার্কভুক্ত দেশগুলোতে বিভিন্ন সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। এর মধ্যে রয়েছে নির্বিঘœ আন্তর্জাতিক লেনদেন, চিকিৎসা ব্যয় পরিশোধ, টিউশন ফি প্রদান, এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ সুবিধা এবং বিভিন্ন এক্সক্লুসিভ লাইফস্টাইল সুবিধা। অনুষ্ঠানে ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি এর চেয়ারম্যান ও সেনাবাহিনী প্রধান উল্লেখ করেন, ট্রাস্ট ব্যাংক ডিজিটাল যুগের সাথে তাল মিলিয়ে একটি উন্নত ও নিরাপদ ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে ইউনিয়নপে ইন্টারন্যাশনালের সাথে অংশীদারিত্ব করেছে। ইউনিয়নপে কার্ডসমূহ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, চিকিৎসাসেবা গ্রহীতা ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার গ্রাহকগণের জন্য সহজ এবং বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য আর্থিক লেনদেনের সুবিধাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সেবা, গ্রাহককেন্দ্রিক কার্যক্রম এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং খাত উন্নয়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি এপ্রিল ২৭, ২০২৬ 0
আজ রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম মিলনায়তনে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি

অভ্যন্তরীণ আয় বাড়াতে তামাকের কর ও দাম বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর

২৬ এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৬ শতাংশ বৃদ্ধি

ছবি : সংগৃহীত

তিন দিনের জামাই মেলা থেকে ২ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা

0 Comments