খেলাধুলা

আফগানিস্তান-শ্রীলঙ্কা সিরিজ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ০৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার আসন্ন টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে সিরিজটি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। মূলত, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা এবং ভ্রমণ ঝুঁকি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড।

 

আফগানিস্তান এই প্রথমবার শ্রীলঙ্কাকে ঘরের মাঠে (হোম সিরিজ হিসেবে আমিরাতে) স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিয়েছিল। সূচি অনুযায়ী ১৩ থেকে ২৫ মার্চের মধ্যে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু বিগত কয়েকদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় সৃষ্ট অস্থিরতার কারণে বিমান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এর আগে পাকিস্তান নারী দলও দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে একই কারণে ডারবানে আটকে পড়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে শারজাহ বা দুবাইয়ে সিরিজ আয়োজন করা ঝুঁকিপূর্ণ, তাই খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তারা আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) সাথে আলোচনার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সিরিজটি কবে নাগাদ পুনরায় অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নতুন সূচি ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
দিল্লিকে হারানোর পর শৈশবের গুরুর অনুরোধ রাখলেন কোহলি

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) সোমবার রাতের ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসকে পাত্তাই দেয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। স্বাগতিকদের মাত্র ৭৫ রানে অলআউট করার পর ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জিতে নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচ জেতার পর বেঙ্গালুরুর সকল ক্রিকেটার এবং কোচিং স্টাফরা আহমেদাবাদে ফিরলেও শৈশবের কোচের অনুরোধে দিল্লিতেই থেকে যান কোহলি।   ভারতীয় এই কিংবদন্তি ব্যাটারের ছোটবেলার কোচ রাজকুমার শর্মা। তিনি ওয়েস্ট দিল্লি ক্রিকেট একাডেমির একটি নতুন শাখা উদ্বোধন করার জন্য কোহলিকে ডেকেছিলেন। ছোটবেলার গুরুর কথা ফেলতে পারেননি কোহলি। সেখানে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে একাডেমি উদ্বোধন করেন তিনি।   উদ্বোধনের পর একাডেমির শিক্ষার্থীদের হাতে স্মারক তুলে দেন বিরাট কোহলি। সেই সঙ্গে তাদের বুকেও টেনে নেন তিনি।   একাডেমির উদীয়মান ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কোহলি বলেন, ‘আমি ছোটবেলাতেই ঠিক করেছিলাম যে, ক্রিকেটার হব। এই ইচ্ছাটা আমার মনের ভেতরে থেকে এসেছিল। আমি আমার ইচ্ছাটা বাবা-মা এবং শিক্ষকদের জানিয়ে দিয়েছিলাম। সবার মনের ভেতরে এই সৎ সাহসটা আনতে হবে। ভালো ক্রিকেটার হতে হলে অন্য কিছু ভাবা যাবে না।   এই একাডেমি নিয়ে নিজের স্মৃতিচারণ করে কোহলি বলেন, ‘আমি আট বছর বয়সে এই একাডেমিতে খেলা শুরু করি। এখনও সময় পেলেই এখানে চলে আসি। আমার ছোটবেলায় ক্রিকেটের ভিত তৈরি করতে এই একাডেমির ভূমিকা অনেক।’   এদিকে শিষ্যকে কাছে পেয়ে গুরু রাজকুমার বলেন, ‘আইপিএলের মতো টুর্নামেন্ট চলাকালেও বিরাট কোহলি সময় বের করে এখানে এসেছি। আজকের এই দিনের তাকে কাছে পেয়ে খুবই ভালো লাগছে।’

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

পিডব্লিউডির স্বপ্ন ভেঙে নকআউট পর্বে রহমতগঞ্জ

ছবি: সংগৃহীত

রিয়ার হ্যাটট্রিকে সিঙ্গাপুরকে উড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি নিগার-সোবহানার

ছবি : সংগৃহীত
পিএসজিকে হারাতে পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী ‘নিষিদ্ধ’ বায়ার্ন কোচ

নিষেধাজ্ঞার কারণে দলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টাচলাইনে থাকতে পারবেন না ভেসোঁ কম্পানি। তবে এতে সমস্যার কিছু দেখছেন না বায়ার্ন মিউনিখ কোচ। দলের কোচিং স্টাফ ও বাকিদের ওপর প্রবল আস্থা তার। কম্পানির বিশ্বাস, তাকে ছাড়াই পিএসজিকে হারাতে পারবে জার্মান চ্যাম্পিয়নরা।   চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালের প্রথম লেগে মঙ্গলবার শিরোপাধারী পিএসজির মুখোমুখি হবে বায়ার্ন। প্যারিসে বাংলাদেশ সময় রাত একটায় শুরু মাঠের লড়াই।   এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রাথমিক পর্বে পিএসজিকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল বায়ার্ন। সেই ম্যাচটিও ছিল প্যারিসে। স্বাভাবিকভাবেই ওই জয় হ্যারি কেইনদের বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাবে।   রেয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে কোয়ার্টার-ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে হলুদ কার্ড দেখেন কম্পানি। পিএসজির বিপক্ষে তার অনুপস্থিতিতে টাচলাইনে থাকবেন সহকারী কোচ অ্যারন ডাঙ্কস।   বেশ সমাদৃত হলে প্রধান কোচের দায়িত্ব পালনের খুব বেশি অভিজ্ঞতা নেই ডাঙ্কসের। প্রিমিয়ার লিগে অ্যাস্টন ভিলার কোচ হিসেবে কেবল দুটি ম্যাচে টাচলাইনে দাঁড়ান তিনি।   তবে ডাঙ্কসের ওপর বিশ্বাস আছে কম্পানির। ম্যাচের আগের দিন বললেন, বাকিদের নিয়েও আত্মবিশ্বাসী তিনি।   ডাঙ্কসি অভিজ্ঞায় পূর্ণ, ইংল্যান্ডে থাকার সময় কোচের দায়িত্ব পালন করেছে। কোচিং স্টাফ ও বাকিদের ওপর আমার শতভাগ আস্থা আছে।   প্যারিসের উদ্দেশ্যে বায়ার্ন রওয়ানা দেওয়ার আগে সোমবার অনুশীলনে উপস্থিত ছিলেন কম্পানি। কিন্তু পিএসজির বিপক্ষে ড্রেসিংরুম এবং ডাগআউটে থাকতে পারবেন না তিনি।   ২০০৫ সালে চেলসির কোচ থাকাকালীন নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও লন্ড্রি বাস্কেটে (কাপড় ধোয়ার ঝুড়ি) লুকিয়ে ড্রেসিংরুমে ঢুকেছিলেন জোসে মরিনিয়ো। এমন কোনো কাজ করার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন কম্পানি।   মজার ছলে তিনি বলেন, “আমার উচ্চতা ১.৯২ মিটার (৬ ফুট ৩ ইঞ্চি)। আমি ওয়াশিং বাস্কেটে ফিট হব না।   ড্রেসিংরুমে কম্পানির অভাব যে অনুভূত করবে দল, তা বুঝতে পারছেন হ্যারি কেইন। বায়ার্নে চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর আলোচনায় থাকা ইংলিশ তারকা বলেন, “টাচলাইনে তাকে মিস করব। তিনি আমাদের বস, এমন একজন কোচ যিনি সবসময় আমাদের সঙ্গে মাঠে থাকতে পছন্দ করেন।   আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় আগামী ৬ মে শেষ চারের দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি হবে দল দুটি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ২৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

পিএসজির চেয়ে ভালো কোনো দল নেই

ছবি : সংগৃহীত

আবাহনীকে হারিয়ে বিদায় নিশ্চিত করল পিডব্লিউডি

ছবি: সংগৃহীত

বায়ার্ন ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাসী এনরিকে: ‘পিএসজিই সেরা দল’

এশিয়ান বীচ গেমসে বাংলাদেশের প্রথম পদক গ্রহণ

 চীনের পর্যটন নগরী সানিয়ায় চলমান এশিয়ান বীচ গেমসে কাবাডি ডিসিপ্লিনে সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্ট জুড়ে দুর্দান্ত লড়াই শেষে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রোঞ্জ পদক গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ নারী কাবাডি দল। বিজয়মঞ্চে লাল-সবুজের জার্সি গায়ে যখন নারী অ্যাথলেটরা পদক গ্রহণ করছিলেন, তখন সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নারী কাবাডিতে সোনা জিতেছে ভারত আর রৌপ্য জিতেছে শ্রীলঙ্কা। আজকের পদক প্রদান অনুষ্ঠানে দলের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগ। তিনি পদকজয়ী নারী দলের খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেন এবং এই অর্জনকে দেশের কাবাডির জন্য এক বড় মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন। গেমসে বাংলাদেশ নারী কাবাডি দল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং আক্রমণাত্মক কাবাডি প্রদর্শন করেছে। সেমিফাইনালে শক্তিশালী ভারতের কাছে হারলেও, পুরো আসরে তাদের লড়াকু মানসিকতা সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগ বলেন, ‘আমাদের মেয়েরা বিদেশের মাটিতে দেশের সম্মান অক্ষুন্ন রেখেছে। এই ব্রোঞ্জ জয় কেবল একটি মেডেল নয়, এটি আমাদের কঠোর পরিশ্রম এবং সঠিক পরিকল্পনার ফসল। আমাদের বর্তমান কমিটির লক্ষ ছিল পদক পুনরুদ্ধার করা। এশিয়ান বীচ গেমসে আমাদের মেয়েরা সেটা করে দেখিয়েছে। ১৪ বছর পর এশিয়ান বীচ গেমসের কাবাডিতে  ব্রোঞ্জ জিতেছে বাংলাদেশ।’  তিনি আরও বলেন, বীচ কাবাডিতে এই সাফল্য আগামীতে এশিয়ান গেমসসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দলকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। বিশেষ করে নারী কাবাডি দলের জন্য দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এই মেডেল তারই প্রতিফলন। গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে থাইল্যান্ড ও চাইনিজ তাইপেকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। যদিও গ্রুপের শেষ ম্যাচে নেপালের কাছে দারুন লড়াইয়ের পর ৩৬-৩৮ পয়েন্টে পরাজয় বরণ করতে হয় তাদের। নেপালের বিপক্ষে পরাজয়ের কারনে সেমিফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল শক্তিশালী ভারত। সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৫০-৩১ পয়েন্টে পরাজিত হয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সেমিফাইনাল নিশ্চিতের সাথে বাংলাদেশের ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত হয়। একইসাথে র‌্যাঙ্কিংয়ের তৃতীয় স্থান নিয়ে আসর শেষ করেছে বাংলাদেশের নারী দল।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি এপ্রিল ২৭, ২০২৬ 0

বাংলাদেশকে জয়ের জন্য ১৮৩ রানের লক্ষ্য দিল নিউজিল্যান্ড

কোলাজ

দেশের সব জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের : আমিনুল হক

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের আগে বড় ধাক্কা নেদারল্যান্ডসের শিবিরে

0 Comments