খালেদার স্থায়ী মুক্তি চেয়ে সরকারের কাছে পরিবারের আবেদন

0
71
আরও ৬ মাস বাড়ছে খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ

খবর৭১ঃ করোনা মহামারিকালে ছয় মাসের জন্য শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পাওয়া বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে স্থায়ীভাবে মুক্তি দিতে সরকারের কাছে আবেদন করেছে তার পরিবার। দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সুচিকিৎসায় বিদেশে নেয়ার কথা আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার ছোটভাই শামীম ইস্কান্দার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের কাছে এই আবেদন করেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু বলেন, ‘গত মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদনটি মন্ত্রণালয়ে করা হয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে আইনি মতামত জানতে আবেদনটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় মতামত দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তির আবেদনে বলা হয়েছে, করোনাকালীন দুর্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়নি। পাশাপাশি তার সুচিকিৎসা নিশ্চিতের জন্য শারীরিক অসুস্থতায় কোনো পরীক্ষাও করা সম্ভব হয়নি। ইতিমধ্যে করোনাভাইরাসের কারণে স্থবির হয়ে যাওয়া অফিস-আদালতসহ গণপরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্য প্রায় স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরে আসতে শুরু করেছে। এতে অসুস্থ খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও এ সংক্রান্ত শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য তার বয়স, শারীরিক অসুস্থতা ও মানবিক বিবেচনায় খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তির জন্য আবেদন করা হলো।

দুদকের দুটি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে ছিলেন খালেদা জিয়া। ২৫ মাসের মাথায় গত ২৫ মার্চ শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয় সরকার। করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে মানবিক দিক বিবেচনায় ছয় মাসের জন্য সাজা স্থগিত করে এই মুক্তি দেয়া হয়। তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং বিদেশ যেতে পারবেন না, এমন শর্তে সাজা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। শর্তসাপেক্ষে মুক্তির পর সেদিন গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় ওঠেন খালেদা জিয়া। এখন সেখানেই আছেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here