আটকা পেঁয়াজ ছাড়ছে ভারত

0
67
পেঁয়াজের আমদানি ঋণপত্র মার্জিন ন্যূনতম রাখার নির্দেশ

খবর৭১ঃ
সীমান্তে আটকে থাকা প্রায় ১০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ পচে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় ছাড় করতে যাচ্ছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। শনিবার দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজবোঝাই ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে।

ভারতীয় রপ্তানিকারকদের বরাতে এ তথ্য জানান দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি ও হাকিমপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ।

এদিকে ভোমরা স্থলবন্দরে গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশের প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে পেঁয়াজ ভর্তি ১৬৫টি ট্রাক। ভোমরা স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীদের সংগঠন ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার আগেই ওই ১৬৫ ট্রাক পেঁয়াজ ভারত থেকে এলসি করেছিল। এসব পেঁয়াজের ট্রাকগুলোর ডকুমেন্ট পাস করা রয়েছে। আগের এলসি করা পেঁয়াজের ট্রাকগুলো তারা ছেড়ে দেবে বলে জেনেছেন তিনি।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন অর রশিদ শুক্রবার রাতে বলেন, ‘ভারতীয় রপ্তানিকারকরা আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন, এলসি করা যেসব পেঁয়াজ ওপারে ট্রাকে আটকা পড়েছে, তা বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা চলছে। শনিবার থেকে পেঁয়াজ পাঠাবে কি না তা আজ রাতের মধ্যেই জানা যাবে।’

হারুন অর রশিদ বলেন, হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকেরা ১০ হাজার টনের মতো পেঁয়াজ আমদানির এলসি করেছেন। ভারতীয় তিন শতাধিক ট্রাক পেঁয়াজ নিয়ে ওপারে আটকা পড়েছে। শিগগির এসব পেঁয়াজ ছাড় না পেলে সেগুলোতে পচন ধরবে। অন্তত এলসি করা পেঁয়াজগুলো আনার জন্য ব্যবস্থা চলছে। পরে পেঁয়াজ আমদানি নিয়মিত হবে কি না তা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ঠিক করবে।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারতীয় রপ্তানিকারকেরা প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজের দাম নিয়েছেন ২৫০ থেকে ৩০০ ডলার। কিন্তু, ভারতে পেঁয়াজের মূল্য দ্বিগুণের বেশি হয়ে যাওয়ায় ওই মূল্যে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছেন তারা।

হারুন অর রশিদ বলেন, ভারতের বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন এলসি মূল্য নির্ধারণ করার জন্য পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ভারতের ব্যবসায়ীরা ওই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজ ৭৫০ ডলার নির্ধারণ করার জন্য প্রস্তাব করেছেন।

ওপারে আটকা পড়া পেঁয়াজ ছাড় পাওয়ার বিষয়ে হিলি স্থলবন্দর শুল্ক বিভাগের ডেপুটি কমিশনার সাইদুল আলম জানান, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ায় পর স্থলবন্দরগুলোর ওপারে আটকা পেঁয়াজ ছাড় করতে সম্মত হয়েছে ভারত। তবে, কবে থেকে ছাড়পত্র দেবে তা এখন বলা সম্ভব নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here