সৈয়দপুরে ৯২ লাখ টাকা মূল্যের কষ্টি পাথর উদ্ধার

0
99
সৈয়দপুরে ৯২ লাখ টাকা মূল্যের কষ্টি পাথর উদ্ধার

মিজানুর রহমান মিলন, সৈয়দপুর প্রতিনিধি :

নীলফামারীর সৈয়দপুরে উদ্ধার হওয়া প্রায় সাড়ে ৩ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরটির মূল্য ৯২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। গতকাল বৃহস্পতিবার নীলফামারী জেলা জুয়েলার্স সমিতির মাধ্যমে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর সেটি আসল কষ্টিপাথর এবং এর মূল্য ৯২ লাখ ২৫ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে নীলফামারী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে সৈয়দপুর উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে রওশন সরকার (১৯) নামে একজনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
এসময় তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ওই কষ্টিপাথরটি। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ফুল ও হাঁসের চিত্রকর্ম থাকা ৩ কেজি ৩৮৩ গ্রাম ওজনের কষ্টিপাথরের ভাঙ্গা অংশ উদ্ধারের বিষয়টি প্রকাশ করেন নীলফামারী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মোহাম্মদ রেজানুর রহমান।

তিনি বলেন, গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজার থেকে চোরাকারবারি রওশন সরকারকে (১৯) গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাঁর কাছ থেকে কষ্টিপাথরের একটি ভাঙ্গা অংশ উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া রওশন সরকার দিনাজপুর জেলার পাবর্তীপুর উপজেলার বেলাইচন্ডি মাস্টারপাড়া এলাকার শামসুল হকের পুত্র।

ডিবি পুলিশ জানায়,গোপন সংবাদে তারা জানতে পারেন সৈয়দপুরে উল্লিখিত এলাকায় চোরকারবারিদের একটি গ্রুপ প্রাচীন আমলের মুল্যবান কষ্টিপাথরের মুর্তি পাচার করবে। এমন সংবাদ পেয়ে ডিবি’র এসআই মোহাম্মদ রেজানুর রহমানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স ছদ্মবেশে গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকালে সৈয়দপুর উপজেলার চৌমুহনী বাজারে অবস্থান নেয়। এসময় মুর্তি পাচারকারী দলের সদস্যরা তাদের (ডিবি) উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেস্টা চালায়। কিন্তু ডিবি পুলিশের সদস্যরা ধাওয়া করে মুর্তি পাচারকারী দলের সদস্য রওশন সরকারকে(১৯) গ্রেফতার করে। এসময় তাঁর সাথে থাকা একটি ব্যাগের ভিতর থেকে কষ্টিপাথরের তৈরী শিল্পকর্মের ভাঙ্গা অংশ উদ্ধার করা হয়।

নীলফামারী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরির্দশক মো.হারুন অর রশীদ বলেন,নীলফামারী জেলা জুয়েলার্স সমিতির মাধ্যমে পরীক্ষার পর আমরা নিশ্চিত হয়েছি এটি মূলবান কষ্টিপাথর। এর মূল্য ৯২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। তিনি বলেন কষ্টিপাথর উদ্ধার ঘটনায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে সৈয়দপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে।এতে গ্রেফতার হওয়া রওশন সরকারসহ ৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামি রওশনকে নীলফামারী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে মামলার অন্যান্য আসামীরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অবাহ্যত রয়েছে বলে জানান ডিবি পরিদর্শক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here