বাগমারা গনিপুর ইউনিয়ন থেকে উদ্ধারকৃত মূর্তিটি পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার জাদুঘরে হস্তান্তর

0
192

বাগমারা প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গনিপুর ইউনিয়নের সরকারি পুকুর খননের সময় পাওয়া কালো পাথরের একটি বিষ্ণু মূর্তি প্রত্নতত্ত্ব নির্দশন পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার জাদুঘরে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১এপ্রিল) বিকেলে বাগমারা থানা পুলিশ পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার জাদুঘরের কাস্টেডিয়ান ফজলুল করিমের কাছে হস্তান্তর করে।
বাগমারা থানা পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন বলেন, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) পুকুর পুনঃখনন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার বুজরুককোলা গ্রামের বড়পুকুরিয়া নামক একটি পুকুর পুনঃখননকাজ শুরু হয়। গত ১৬ মার্চ রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুকুর খনন করার সময় কালো রঙের মূর্তিটি পাওয়া যায়। স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে এটিকে বিষ্ণুমূর্তি হিসেবে শনাক্ত করেন। বিএমডিএ ও স্থানীয় লোকজন থানা-পুলিশকে খবর দিলে রাত ১০টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মূর্তিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তিন ফুট লম্বা এই মূর্তির ওজন ৬০ কেজি।
স্থানীয় বাসিন্দা অনুপ সরকার বলেন, পুকুরটি বেশ পুরোনো। পুকুরের পাশেই তাঁদের মন্দির। একসময় ওই এলাকায় রাজপরিবার বসবাস করত বলে প্রবীণ ব্যক্তিদের কাছ থেকে তিনি শুনেছেন। পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া মূর্তি সেই সময়ের হতে পারে বলে তাঁর ধারণা।
বিএমডিএ বাগমারার আঞ্চলিক দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, তাঁরা পুকুরটি খননের জন্য একজন ঠিকাদার নিয়োগ করেছেন।
বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ জানান, পুকুর পুনঃখননের সময় পাওয়া মূর্তিটি পুলিশ নিজেদের হেফাজতে রেখেছিল। পরে প্রত্নতত্ত্ববিভাগকে জানানো হয়েছিল। আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেলে সেটি হস্তান্তর করা হয়েছে। উল্লেখ্য গত ৩০ মার্চ উপজেলার হামিরকুৎসা ইউনিয়নের আলোকনগর ভবানাপাড়া থেকে পুকুর খননের সময় কালো পাথরের একটি রানী মূর্তি উদ্ধার করে থানা পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here