টিকা নিতে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভিড়

0
29

খবর৭১ঃ দেশে করোনাভাইরাসের গণটিকা শুরুর আজ চতুর্থ দিন। গত তিন দিনের সঙ্গে মেলানো যাচ্ছে না আজ বুধবারের টিকাদান কেন্দ্রের চিত্র। প্রথম দিন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী টিকা দেওয়া না গেলেও দ্বিতীয় দিন থেকে বাড়তে থাকে টিকা নিতে আগ্রহী মানুষের আগমন। তৃতীয় দিনে সারা দেশে টিকা নেওয়ার সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে যায়। আর আজ চতুর্থ দিনে কেন্দ্রগুলোতে ছিল বেশ ভিড়। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) বেলা আড়াইটার পরও টিকা নিতে অনেককে আসতে দেখা গেছে।

এই হাসপাতালে আজ নিয়ে চার দিনে প্রায় ৫ হাজার মানুষ টিকা নিয়েছেন। এর মধ্যে শুধু আজই নিয়েছেন ১ হাজার ৮৩৪ জন। সংখ্যাটি আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৫০০ বেশি। বিচারপতি, সম্মুখসারির যোদ্ধা চিকিৎসক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, দেশের বিশিষ্টজনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ টিকা নেন এই কেন্দ্রে। নির্ধারিত লক্ষ্যের চেয়ে উপস্থিতি বেশি হওয়ায় অনেককে টিকা না নিয়ে চলে যেতে হয়েছে

বিএসএমএমইউ টিকাকেন্দ্রে আজ টিকা দিতে মেয়েকে নিয়ে এসেছিলেন সাবেক বিচারপতি সামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। এর আগে গত রবিবার তিনি নিজে টিকা নিয়েছেন। বিচারপতি মানিক ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘টিকা নিয়ে আমার কখনো সংশয় ছিল না, এখনো নেই। আর মজার ব্যাপার হলো, যারা টিকা নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে তারাই কিন্তু আগে টিকা নিয়েছে।’ এ সময় তিনি কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেন।

তিন দিন আগে টিকা নিয়ে সুস্থ আছেন এই সাবেক বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘আমার কোনো অসুবিধা হয়নি। আমি বিন্দুমাত্র ব্যথা পর্যন্ত অনুভব করিনি। স্বাভাবিকভাবে সব কাজ করছি। আজ মেয়েকে নিয়ে এসেছি টিকা দিতে। আমার আবেদন, সবাই টিকা নিন। বাঁচতে হলে এ টিকা নিতে হবে। প্রত্যেকেরই এ টিকা নেওয়া দায়িত্ব।’ টিকাদান কেন্দ্রের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও সুন্দর পরিবেশ নিয়ে নিজের সন্তুষ্টির কথা জানান তিনি।

আজ রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন বেসরকারি টেলিভিশন বাংলাভিশন-এর সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার এস এম ফয়েজ। মাত্র পাঁচ মিনিট সময় লেগেছে এ টিকা নিতে। টিকা গ্রহণের পর স্বাভাবিকভাবেই ফিরেছেন তিনি। যোগ দিয়েছেন কাজে। টিকা নেওয়ার তিন ঘণ্টা পর ঢাকা টাইমসের সঙ্গে আলাপ হয় এস এম ফয়েজের।

ঢাকা টাইমসকে এস এম ফয়েজ বলেন, ‘আমি বেলা ১টায় টিকা নিয়েছি। তিন ঘণ্টা পরেও স্বাভাবিক আছি। কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। যেকোনো টিকার ক্ষেত্রে কারও কারও কম-বেশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে। আবার কারও নাও থাকতে পারে। আমার মধ্যে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আমি টিকা নিয়ে অফিসে এসেছি। নিজের কাজ করছি।’

টিকাকে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই নানান বিভ্রান্তি ছড়ানো হলেও তা স্রেফ গুজব বলেই মনে করেন সম্মুখ সারির এ গণমাধ্যমকর্মী। বলেন, ‘টিকা নিয়ে শুরু থেকে একটা বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছিল। অনেক গুজব ছিল। আমি মনে করি, টিকা নিয়ে বিভ্রান্তি বা আতঙ্কের কিছু নেই। আমাদের সবারই উচিত টিকা নেওয়া। এই মহামারি প্রতিরোধে এটা সবার দায়িত্ব।’

টিকা নিয়ে সরকারের আয়োজনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিলেন, ‘আয়োজনটা খুবই সুন্দর। আমি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে টিকা নিয়েছি। সেখানকার ডাক্তার, নার্স সবাই খুবই আন্তরিক।’

এদিকে মঙ্গলবার টিকা নেওয়ার জন্য সুরক্ষা অ্যাপে খুলনা থেকে নিবন্ধন করেন অনলাইন নিউজপোর্টাল ‘বিডি টুয়েন্টিফোর’-এর মাল্টিমিডিয়া করেসপন্ডেন্ট রুদ্র রুদ্রাক্ষ। আবেদনের ২০ মিনিটের মধ্যে এসএমএসের মাধ্যমে তাকে টিকাকেন্দ্রের ঠিকানা জানিয়ে দেয়া হয়। বুধবার সকালে খুলনা জেলা হাসপাতাল কেন্দ্রে টিকা নেন করেন রুদ্র। ঢাকার মতো ঢাকা বাইরের জেলায়ও করোনা টিকা নিতে উৎসবমুখর পরিবেশ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। রুদ্র বলেন, ‘সিরিয়াল মেনেই সবাই টিকা নিল। আমিও নিলাম। কোনো অসুবিধা বোধ করছি না।’

নিজে উদ্যোগী হয়ে আজ টিকা নিয়েছেন কণ্ঠশিল্পী মাহফুজ আনাম জেমস। আজ দুপুর ১টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) গিয়ে তিনি টিকা নেন। গায়কের মুখপাত্র রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রবিন বলেন, ‘কোনো সংগঠন, প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ কিংবা কোটায় নয়, নিজেই উদ্যোগী হয়ে করোনার টিকা নিয়েছেন জেমস। শুরু থেকেই তিনি টিকা নেওয়ার বিষয়ে পজিটিভ ছিলেন। প্রথম দিনই এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন জেমস। সুযোগ পেলেন আজ।‘

গত ২৫ জানুয়ারি ভারতের সেরাম থেকে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মার মাধ্যমে অস্কফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা আসে দেশে। শুরুর দিকে টিকা নিতে মানুষের মধ্যে অনাগ্রহ দেখা গেলেও সেটি অনেকটা কেটে গেছে। মূলত ভারত থেকে আসা এ টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে, এমন গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল চারপাশে। পরে সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চিকিৎসকরা টিকা নিয়ে শঙ্কা কেটে যায়। এখন পর্যন্ত যারা টিকা নিয়েছেন সবাই সুস্থ রয়েছেন।

টিকা এনে তা গত ২৭ জানুয়ারি প্রথম প্রয়োগ করা হয়। সেদিন ২৭ জনকে করোনা ভাইরাসের টিকা দেয়ার মাধ্যমে দেশে করোনাভাইরাসের টিকা দেয়া শুরু করে সরকার। এরপর একে একে টিকা নিতে শুরু করেন নানা পেশার মানুষ।

এরপর গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে পুরোদমে টিকা দেওয়া শুরু হয়। সেদিন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ৩১ হাজার ১৬০ জন টিকা নেন। সোমবার টিকা নিয়েছেন ৪৬ হাজার ৫১০ জন। টিকা নেয়ার পর ৯২ জনের শরীরে পার্শ্বপ্রতিপ্রক্রিয়া দেখা দিলেও সবাই সুস্থ আছেন বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে। রবিবার টিকা নেয়াদের মধ্যে ২১ জনের শরীরে সামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছিল। মঙ্গলবার রাজধানীসহ সারা দেশের ৪৬টি সরকারি হাসপাতাল ও অন্যান্য স্বাস্থ্য স্থাপনা কেন্দ্রে মোট ১ লাখ ১ হাজার ৮২ জন টিকা নেন। এদের মধ্যে পুরুষ ৭৪ হাজার ৫৮৬ জন এবং নারী ২৬ হাজার ৪৯৬ জন। টিকা নেওয়ার পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে ৯৪ জনের শরীরে।

বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে টিকা নিয়ে শঙ্কার আরেকটি কারণ ছিল নরওয়েতে ফাইজারের টিকা নিয়ে ২৩ জনের মৃত্যুর ঘটনায়। তবে বাংলাদেশে ফায়জারের টিকা এখনো অনুমোদন পায়নি। বাংলাদেশে অনুমোদিত টিকা হলো ভারতের সেরাম ইনিস্টিটিউট থেকে আসা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত টিকা। এটি প্রথমে ব্রিটেন সরকার তার দেশে প্রয়োগের অনুমোদন দেয়। এরপর ভারত-বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে এটি অনুমোদিত হয়। ভারতের সেরামের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ মোট তিন কোটি ডোজ টিকা পাবে। ইতিমধ্যে প্রথম চালানে ৫০ লাখ টিকা এসেছে। আর ভারত সরকার বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে দিয়েছে আরও ২০ লাখ ডোজ টিকা।

গত ২৭ জানুয়ারি সর্বপ্রথম এ টিকা দেয়া হয় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তাকে। টিকা নেওয়ার দুই সপ্তাহ পর তার শারীরিক অবস্থা জানতে চাইলে ঢাকা টাইমসকে তিনি বলেন, ‘শুরু থেকে স্বাভাবিক আছি। চলাফেরা, খাওয়া-দাওয়া বা শারীরিক অবস্থা সবকিছুই ঠিক আছে। কোনো অসুবিধা হচ্ছে না।’

একই দিনে সাংবাদিকদের মধ্যে প্রথম করোনাভাইরাসের টিকা নেন এনটিভি অনলাইনে কর্মরত মাসুদ রায়হান পলাশ। তিনি বর্তমানে ছুটিতে নিজ গ্রামের বাড়িতে রয়েছেন। পলাশ ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘ওই দিন টিকা নিয়ে অফিসে আসি। কাজ করেছি। এরপর টানা কাজ করে গিয়েছি। কোনো ধরনের অসুবিধা হচ্ছে না। এখন গ্রামে আছি ছুটিতে। এখানেও স্বাভাবিকভাবেই চলাফেরা করছি। সবকিছু মিলিয়ে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে আছি।’

পুলিশের মধ্যে প্রথম টিকা নেন ট্রাফিক সার্জেন্ট দিদারুল ইসলাম। তিনি রাজধানীর মতিঝিল জোনে কর্মরত রয়েছেন। টিকা নেওয়ার পর থেকে আগের মতোই কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান এ ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা।

দিদারুল ইসলাম বলেন, ‘পুলিশের মধ্যে আমি প্রথম টিকা নিই। টিকা নেয়ার পর আমি আমার স্বাভাবিক কাজ করছি। ডিউটি করছি। কোনো সমস্যা হচ্ছে না। এমনকি কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়নি। অন্য কোনো সমস্যাও নেই।’

এরপর স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ একে একে টিকা নিয়েছেন সরকারের মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিবরা। সরকারি বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি টিকা নিয়েছেন সাংবাদিক, শিক্ষক, পুলিশ, রাজনৈতিক নেতা, অভিনেতা-অভিনেত্রী, কণ্ঠশিল্পী, সমাজসেবক, প্রকৌশলী, সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গসহ সকল পেশা ও শ্রেণির মানুষ। শুরুর দিকে টিকা নিতে আগ্রহ কম থাকলেও দিন দিন তা কেটে গেছে। এখন টিকা নিচ্ছেন সবাই। টিকা কেন্দ্রে ভিড় লেগে থাকছে সারাক্ষণ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায় টিকা নিয়েছেন ২৭ জানুয়ারি। ঢাকা টাইমসকে তিনি বলেন, ‘টিকা নেয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলাম। তাই করোনার টিকাদানের প্রথম দিন টিকা নিয়েছিলাম। বেশ ভালো ছিলাম। কিন্তু সন্ধ্যার দিকে শুনতে পেলাম যেদিন টিকা নেওয়া হয় সেদিনের রাত ঝুঁকিপূর্ণ। টিকা নিয়ে এমন নেগেটিভ কথা শোনার পর মন দুর্বল হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু রাতে আমার তেমন কিছুই হয়নি। কোনো শরীর খারাপ হয়নি। এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ সুস্থ আছি।’

২৮ জানুয়ারি টিকা নেন বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া। টিকা নেয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘সব মিলিযে এখনো সুস্থ আছি। শারীরিকভাবেও বেশ ভালো আছি।’

গত রবিবার টিকা নেন জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য ডা. নজরুল ইসলাম। ঢাকা টাইমসকে তিনি বলেন, ‘কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়নি এখন পর্যন্ত। এ ছাড়া শারীরিকভাবেও কোনো অসুস্থতা নেই।’

অঞ্জলি মজুমদারের বয়স ৬৫ বছর। তিনি তিন দিন আগে টিকা নিয়েছেন। তার সামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলেও ভালো আছেন। ঢাকাটাইমসকে তিনি বলেন, ‘তিন দিন আগে টিকা নিয়েছি। টিকা নেওয়ার বেশ কিছুক্ষণ পর একটু বমি হয়েছিল। তখন দুর্বল লাগছিল। কিন্তু পরে সব ঠিক হয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত বেশ ভালো আছি।’

এদিকে রবিবার থেকে গত চার দিনে সারা দেশে তিন লাখের বেশি মানুষকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হয়েছে। আর সরকারের সুরক্ষা অ্যাপে টিকা নেয়ার জন্য আবেদন করেছে সাত লাখের বেশি মানুষ।

সরকারের হাতে এখন অক্সফোর্ডের ৭০ লাখ টিকা আছে৷ তা দিয়ে দেশব্যাপী ব্যাপকভিত্তিক টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে৷ পর্যায়ক্রমে আরও আড়াই কোটি টিকা আসবে সেরাম থেকে৷

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস বা গ্যাভি এবং কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশনসের গড়া প্ল্যাটফর্ম হলো কোভ্যাক্স; যা গঠিত হয়েছে বিশ্বের সব মানুষের সংক্রামক রোগের প্রতিষেধক পাওয়া নিশ্চিত করতে। কোভ্যাক্সের প্রকাশ করা তালিকা অনুযায়ী, জুনের শেষ নাগাদ বাংলাদেশ ১২.৮ মিলিয়ন বা এক কোটি ২৭ লাখ ৯২ হাজার ডোজ কোভিড-১৯ টিকা পেতে যাচ্ছে। চলতি মাসের শেষ দিকে এক লাখ ৩১ হাজার টিকা আসবে বলে জানান স্বাস্ত্য সচিব আবদুল মান্নান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) মো. হাবিবুর রহমান ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি, টিকার প্রতি মানুষের আগ্রহ প্রতিদিনই বাড়ছে। যেহেতু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, তাই টিকার প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষরা টিকা নেওয়ার কারণে টিকার প্রতি মানুষের আস্থা এসেছে। এটাও টিকার প্রতি আগ্রহ বাড়ার অন্যতম কারণ। আশা করছি, মানুষের আগ্রহ আরও বাড়বে। আমাদের সব প্রস্তুতি আছে। আশা করছি, সবাই টিকার সুফল পাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here