আনুষ্ঠানিকভাবে শেরপুর জেলা হাসপাতালে আড়াইশ শয্যার হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করলেন হুইপ আতিক

0
106
আনুষ্ঠানিকভাবে শেরপুর জেলা হাসপাতালে আড়াইশ শয্যার হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করলেন হুইপ আতিক
ছবিঃ শেরপুর থেকে আবু হানিফ।

খবর৭১ঃ

শেরপুর থেকে আবু হানিফঃ উদ্বোধনের দুই বছর পর আনুষ্ঠানিকভাবে শেরপুর জেলা হাসপাতালে একশ শয্যা থেকে আড়াইশ শয্যার হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ দুপুরে মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ বীরমুক্তিযোদ্ধা আতিউর রহমান আতিক।

সিভিল সার্জন ডাক্তার একেএম আনোয়ার রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট চন্দন কুমার পাল, শেরপুর পৌরসভার মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন, উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তোফায়েল আহাম্মেদ, স্বাচিবের সভাপতি ডা: মামুন জোস, বিএমএর সভাপতি ডা: এমএ বারেক তোতা ও সাধারণ সম্পাদক ডা: নাদিম হাসান প্রমুখ। এসময় প্রধান অতিথি হুইপ আতিউর রহমান আতিক বলেন, বর্তমান সরকার মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়ন করে যাচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় এ হাসপাতালকে আধুনিক হাসপাতালে রুপান্তর করা হয়েছে। এখানে আইসিউ, সিসিইউ সুবিধাসহ সবধরনের অপারেশনের সুবিধা দেয়া হবে। এ বিষয়ে বিএমএর সাধারণ সম্পাদক ডা: নাদিম হাসান বলেন, ১শ শয্যার হাসপাতল থাকতে অনেক সমস্যা হতো। এখন এসব সমস্যা আর থাকবে না। ২৫০ শয্যার হাসপাতাল হওয়ায় জনগণ উন্নত স্বাস্থ্য সেবা পাবেন। উল্লেখ্য শেরপুর জেলা হাসপাতালকে ১শ শয্যার থেকে আড়াইশ শয্যার কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৬ সালে।

একই বছর ১৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের হুইপ আতিউর রহমান আতিক এ হাসপাতালের সম্প্রসারিত ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ হাসপাতালের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাছিনা। কিন্তু নানা জটিলতার কারণে গত দুই বছরেও এ হাসপাতালের সম্প্রসারিত ভবনে কার্যক্রম শুরু হয়নি। ফলে এ নিয়ে ইনডিপেনডেন্ট টিভিসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় খবরও প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে হুইপ আতিউর রহমান আতিক হস্তক্ষেপ করে দ্রুত এর কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দেন। এ হাসপাতালের সম্প্রসারিত ভবন নির্মান করতে সরকারের ব্যয় হয় প্রায় ৪০ কোটি টাকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here