বাঙালির জীবনে আজ একটি গৌরবোজ্জ্বল দিন: স্পিকার

0
44

খবর৭১ঃ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, ‘বাঙালি জাতির জীবনে আজকে একটি গৌরবোজ্জ্বল দিন। আমরা জাতি হিসেবে আজকে আত্মমর্যাদা, আত্মবিশ্বাস এবং আত্মনির্ভরতার একটা পরিচয় সারাবিশ্বে দিতে পেরেছি। স্ব-অর্থায়নে সর্ববৃহৎ একটি অবকাঠামো এই পদ্মা সেতু। আমাদের প্রাণের সেতু নির্মাণ করেছি।’

স্পিকার বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। কেননা প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়তা, অদম্য সাহস, সততা এবং দেশের মানুষের প্রতি তার অঢেল ভালোবাসার কারণে এই পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়েছে।’

দক্ষিণবঙ্গের ২১টি জেলার সাথে সারাদেশের সাথে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জায়গায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এবং এই পদ্মা সেতু বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতির লাইফ লাইন হিসেবে কাজ করবে।

শনিবার পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

শিরীন শারমিন বলেন, ‘এই সেতু শুধু ইট-পাথরে গাঁথা একটি সেতু নয়। এটা আমাদের গৌরবের সেতু। ভালোবাসা এবং অহংকারের সেতু।’

‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, যিনি বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবন আপসহীন সংগ্রাম করে গেছেন, কিন্তু কখনো মাথা নত করেননি। সে জিনিসটিই আমরা পুনর্বার দেখেছি। তার কন্যা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা শত বাধা অতিক্রম করে এবং অনেক চাপ থাকার পরেও তার কাছে কখনো নতি স্বীকার না করে অবিচল থেকে তার লক্ষ্যে স্থির থেকে বাঙালি জাতি ও জনগণকে উপহার দিয়েছেন পদ্মা সেতু।’ বলেন স্পিকার।

পদ্মা সেতুর রাজনৈতিক বার্তা বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে স্পিকার বলেন, ‘আওয়ামী লীগের যে মূল দর্শন যেটা আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকে শিখেছি, সেটা হচ্ছে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং এদেশের মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্যই জাতির পিতা সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। রাজনৈতিক মুক্তি অর্জিত হলেও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। কাজেই সে অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের পদ্মা সেতু তো অবশ্যই একটা অনেক বড় ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে এবং দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মানুষের বাণিজ্য, আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই সেতু অবদান রাখবে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here