পায়রা বন্দরে বৈধ শ্রমিকদের মানবেতর জীবনযাপন

0
32

রাকিব হাসান পটুয়াখালীঃ পায়রা বন্দর পণ্য বোঝাই ও খালাসের কাজে পটুয়াখালী নৌ-যান শ্রমিক মালামাল বোঝাই ও খালাস ইউনিয়ন (রেজিঃনং ২৩০০) কে কাজ না দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন বিধি লঙ্ঘন করে বহিরাগত শ্রমিক দ্বারা কাজ করার প্রতিবাদে বৈধ নৌযান শ্রমিক মালামাল বোঝাই ও খালাস ইউনিয়ন প্রতিবাদও বিক্ষোভ মিছিল করেন।
পায়রা বন্দর পণ্য বোঝাই ও খালাস ঘাটে বিকেল তিনটায় পটুয়াখালী নৌ-যান শ্রমিক মালামাল বোঝাই ও খালাস ইউনিয়ন (রেজিঃ নং২৩০০) ৬০ জন শ্রমিক দীর্ঘদিন যাবত তারা রেজিষ্ট্রেশনকৃত শ্রমিকদের পণ্য বোঝাই ও খালাস কাজ না দিয়ে বহিরাগত অবৈধ শ্রমিক দ্বারা সোনার বাংলা, বি,এ,টি,এস, কচমচ,গফুর ব্যারাদার, এটিএম,লাকী কোম্পানি র দায়িত্বে থাকা ম্যানেজারবৃন্দ। শ্রমবক নেতা মোঃ হাফিজুর রহমান সদস্য নং ৬৭৭। অভিযোগে সূত্র বলেন, আমরা পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে বৈধ ভাবে কাজে অনুমতি নিয়েও অসাধু কোম্পানি ম্যানেজারদের অবহেলা খামখেয়ালি ওঅবৈধভাবে স্বার্থ আদায় করার কারনে বৈধ শ্রমিকদের দ্বারা কাজ করানো হলে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী বেতন দিতে হয়। তাই বৈধ শ্রমিকদের দ্বারা কাজ না করিয়ে বহিরাগত শ্রমিকদের কম বেতন দিয়ে সরকারী টাকা নিজেরা পকেট ভর্তি করে। এব্যাপারে পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ( মালামাল বোঝাই ও খালাস) ইউনিয়ন, কলাপাড়া পটুয়াখালী সভাপতি খন্দকার মোঃ সেলিম বারবার মাননীয় মন্ত্রী, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকা, মাননীয় মন্ত্রী, শ্মও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন মহলে প্রতিকার দাবী করে অভিযোগ করেছেন। যার পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরি চালক ট্রাফিক স্বাক্ষরিত গত ১৯ নভেম্বর ২০২০ তারিখের ১৮.২১.৭৮৬৬.০০৭.৯৯.০০২.১৯-১২২ নম্বর / ০৪ জানুয়ারিতে ২০২১ তারিখের ১৮.২১.৭৮৬৬.০০৭.৫১.০০১.২১.-২৩৮ নম্বরপত্রসহ বিভিন্ন মহলে নিবেদন করেছেন। প্রকৃত শ্রমিকেরা কাজ না পাওয়ায় পরিবার পরিজনসহ অর্ধাহারে অনাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
কিন্তু কোনো সুফল মিলেনি শ্রমিকদের ব্যাপারে। সর্বশেষ গতকাল১৫ এপ্রিল শনিবার সকনল আটটায় ৬০ জন শ্রমিক নিয়ে কাজে যোগ দেয়ার জন্য পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট আসলে সোনার বাংলা কোম্পানির ম্যানেজার মোঃ আবদুল জলিল মিয়া বৈধ শ্রমিকদের কাজে না নিয়ে বহিরাগত অবৈধ শ্রমিক দ্বারা কাজ করানো হয়। বৈধ শ্রমিকেরা বিকেল তিন ঘটিকায় পর্যন্ত কাজের জন্য অপেক্ষা করে পরে কাজ না পেয়ে তার বিক্ষোভ মিছিল করেন।
এব্যাপারে ম্যানেজার আবদুল জলিল মিয়ার মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি। তাই তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here