রাশিয়া থেকে তেল, গম কেনার প্রশ্নে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

0
26

খবর৭১ঃঢাকায় ওয়াসার পরিশোধিত পানিতে করোনাভাইরাসের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তবে পয়োনিষ্কাশনের ড্রেনের পানিতে ৫৬ শতাংশ এবং কর্দমাক্ত স্থানের ৫৩ শতাংশে করোনার জীবাণুর অস্তিত্ব মিলেছে।

ওয়াসার এবং আইসিডিডিআর,বি এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। ছয় মাসব্যাপী এই গবেষণা চালানো হয়। সোমবার রাজধানীর ওয়াসা ভবনে গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

গবেষণায় নমুনা হিসেবে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদী, ঢাকা ওয়াসার পাগলা স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, নারিন্দা, বাসাবো পয়োপাম্পিং স্টেশন, ঢাকা শহরের ভূ-পৃষ্ঠের পানি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি পুকুর ও মিরপুর মাজার পুকুরের পানি ব্যবহার করা হয়।

ফলাফলে দেখা যায়, ওয়াসার সরবরাহ করা পরিশোধিত পানিতে করোনাভাইরাসের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ঢাকা শহরের পুকুর ও নদীর পানিতেও মেলেনি করোনার জীবাণু।

‘সার্ভে অব স্যুয়েজ অ্যান্ড আদার কন্টামিনেটেড সারফেস ওয়াটার অ্যান্ড ট্রিটেড ওয়াটার সোর্সেস ফর দ্য প্রেজেন্স অব সার্স কোভ-২ ইন অ্যান্ড অ্যারাউন্ড ঢাকা সিটি’ শীর্ষক গবেষণাটির নেতৃত্ব দেন আইসিডিডিআর,বির ইমেরিটাস সায়েন্টিস্ট ড. সিরাজুল ইসলাম।

গতানুগতিকভাবে নয় বরং প্রকৃত অবস্থা তুলে আনতেই গবেষণাটি চালানো হয়েছে বলে জানান ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান।

ওয়াসা এমডি বলেন, ‘শুধু করোনার সময়ে জীবন ও জীবিকা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মানাতে হাত ধোয়ার বিষয়টি দেখেছি। একই সঙ্গে আমাদের পানিতে করোনার কোনো অস্তিত্ব আছে কিনা সেটি দেখতে চেয়েছি। আশার কথা হলো, আমরা নিশ্চিত হলাম ঢাকা ওয়াসার পানিতে করোনার জীবাণু নেই।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম ওয়াসার পানি সরাসরি পানযোগ্য হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন। বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে পুরাতন পাইপলাইনের জন্যও ওয়াসার পানি সরাসরি পানযোগ্য হচ্ছে না।’

তাজুল বলেন, ‘এছাড়া পাইপলাইনে ফুটার কারণে ওয়াসার পানি সরাসরি পান করা যাচ্ছে না। উৎপাদনস্থল পরিশোধন চ্যানেলে ওয়াসার উৎপাদিত পানি বিশুদ্ধ। এরপর সরবরাহের জন্য পাইপে দেওয়ার পর আর সেই পানি আর বিশুদ্ধ থাকে না।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here