মদনে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ৭ম শ্রেণির ছাত্রী

0
76

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার মদনে ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলে এক অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষক সাব্বির মিয়া উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের বাড়রী গ্রামের হিরণ মিয়ার ছেলে ও আটপাড়া উপজেলার তেলিগাতি ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

এ ঘটনা প্রকাশ পেলে মঙ্গলবার রাতে বাড়রী গ্রামে গ্রাম্য শালিস বসে। এতে এলাকার মাতাব্বরগণ ধর্ষণের শিকার শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে যাওয়ায় মেয়টিকে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এমন সংবাদের প্রেক্ষিতে বুধবার সরেজমিনে গেলে শিশুটির মা জানান, আমার
মেয়ের শারীরিক গঠন দেখে তার কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারি প্রতিবেশি
সাব্বির মিয়া আমার মেয়ের এ ঘটনা ঘটিয়েছে। ইউপি সদস্যসহ গ্রামের মাতাব্বরগণকে এ ঘটনা জানালে মঙ্গলবার রাতে আমাদের বাড়িতে দরবার বসে। দরবারে বিয়ের সিদ্ধান্ত হলে বুধবার ছেলের মা ও আমার স্বামী, ছেলে ও
মেয়েকে নিয়ে নেত্রকোনা কোর্টে চলে গেছে।

ধর্ষক সাব্বিরের বাবা হিরণ মিয়া বলেন, আমার ছেলে এমন ঘটনা ঘটানোতে আমি খুব লজ্জিত। গ্রামের সিদ্ধান্তই আমি মেনে নিয়েছি। আমার স্ত্রী ছেলেকে বিয়ে করানোর জন্য নেত্রকোনা কোর্টে গেছে।

সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য সোহেল রানা জানান, মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় মঙ্গলবার
রাতে দরবারে মাধ্যমে বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়। বুধবার উভয় পক্ষ নেত্রকোনা কোর্টে গেছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামছুল আলম বলেন, দীর্ঘ দিন যাবত শিশুটি বিদ্যালয়ে
আসছে না। আজকে যে কোর্টের মাধ্যমে বিয়ে হচ্ছে তা আমার জানা নেই। বিষয়টি আমি প্রশাসনকে অবগত করব।

ইউপি চেয়ারম্যান সাফায়াত উল্লাহ রয়েল জানান, মেয়েটি ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলে মঙ্গলবার রাতে তার পিতা আমাকে বিষয়টি অবগত করেন। আমি তাদেরকে আইনগত ভাবে বিষয়টি নিস্পত্তি করতে বলেছি।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রিক্তা বেগম জানান, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান বিষয়টি আমাকে অবগত করেছেন।

ওসি মোহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে কেউ লিখিত অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here