মিলখা সিংয়ের মৃত্যুতে শচীন-শেবাগ-কুম্বলের আবেগঘন টুইট

0
58

খবর৭১ঃ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সঙ্গে এক মাস লড়াই শেষে হারলেন ভারতের স্বর্ণপদক জয়ী দৌড়বিদ মিলখা সিং।

শুক্রবার পিজিআইএমইআর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।

কিংবদন্তি এ দৌড়বিদের প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমেছে ভারতের ক্রীড়া মহলে। ‘উড়ন্ত শিখ’-এর প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মাস্টার ব্লাস্টার শচীন টেন্ডুলকার থেকে ফুটবলের সুনীল ছেত্রী।

এক টুইটবার্তায় শচীন লিখেছেন, ‘আমাদের একান্ত প্রিয় উড়ন্ত শিখ মিলখা সিংয়ের আত্মার শান্তি কামনা করি। আপনার প্রয়াণে প্রত্যেক ভারতীয়র হৃদয়ে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হল। কিন্তু আগামী বহু প্রজন্মর কাছেই আপনি অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন।’

এ মুহূর্তে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়ে ইংল্যান্ডে রয়েছেন ভারতীয় পেসার যশপ্রীত বুমরাহ।

সাউদাম্পটনে বসেই টুইটে মিলখার প্রয়াণে শোক জানিয়েছেন তিনি। লিখেছেন, ‘একজন হিরো, একজন অনুপ্রেরণা, একজন কিংবদন্তি তিনি। তার উত্তরাধিকার সজীব থাকবে আগামী অনেক প্রজন্ম ধরে। মিলখা সিংহর আত্মার শান্তি কামনা করি।’

ভারতের সাবেক টেস্ট তারকা ভিভিএস লক্ষ্মণ লিখেছেন, ‘মিলখা সিংয়ের প্রয়াণে গভীর মর্মাহত আমি। তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তার পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আমার সমবেদনা।’

টিম ইন্ডিয়ার ভাজ্জি খ্যাত সাবেক তারকা স্পিনার হরভজন সিং তার টুইটার হ্যান্ডেলারে লিখেছেন, ‘মিলখা সিংয়ের প্রয়াণে শোকাহত ও মর্মাহত আমি।

ভারতের আরেক সাবেক তারকা স্পিনার অনিল কুম্বলে লিখেছেন, ‘দেশ এক লিজেন্ডকে হারাল। মিলখা সিংকে তার কাজের মাধ্যমে স্মরণ করা হবে। তার পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আমার সমবেদনা।’

বীরেন্দ্র শেবাগ লিখেছেন, ‘গ্রেট ম্যান মিলখা সিং তার দেহ ত্যাগ করেছেন। কিন্তু তার সাহসী কর্ম ও ইচ্ছাশক্তি সব অ্যাথলেটদের মধ্যে জীবিত থাকবে ও প্রেরণা যোগাবে।’

গুরপ্রিত সিং সান্ধু টুইট করেছেন, ‘আপনার (মিলখা সিং) সান্নিধ্যে আসার মুহূর্ত আমার কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

ভারতের ফুটবল দলের অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী বলেছেন, ‘এই প্রজন্ম তার দৌড় দেখার সুযোগ হয়তো পায়নি। কিন্তু কোনো শিশুও যখন দৌড়ায়, তখন সে মিলখা সিংহর মতোই দৌড়তে চায়। এই মহান ঐতিহ্য রেখে গেছেন মিলখা সিং। তিনি শুধু ক্রীড়াবিদই নন, তিনি অনুপ্রাণিতও করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here