রোজায় কালো জিরা কেন খাবেন?

0
16

খবর৭১ঃ ইফতার মানে খাবারের টেবিলে মুখরোচক ভাজাপুরি খাবারের সমাহার। আর এর ফলে আমাদের শরীরে বাসা বাধে নানা রোগ। এবার রমজানে শুরুতেই বাড়ছে তাপদহ। ফলে ‘নিয়ন্ত্রণহীন খাবারের জন্য’ পেটের সমস্যাসহ নানা সমস্যায় ভুগছেন কেউ কেউ। এক্ষেত্রেও অত্যন্ত কার্যকরী ভেষজ মসলা কালো জিরা।

আমাদের রান্নাবান্নার ক্ষেত্রে একটি প্রয়োজনীয় উপাদান হলো কালো জিরা। হঠাৎ ঠাণ্ডা লেগে সর্দি কাশির সমস্যা থেকে শুরু করে শ্বাস কষ্ট বা পেটের নানা সমস্যায় কালো জিরা অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। রোজায় শ্বাসকষ্ট কমাতে কালো জিরা অত্যন্ত ভূমিকা রাখে। আসুন কালো জিরার আশ্চর্য সব স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক…

>> কালো জিরাতে থাকা আয়রন ও ফসফেট শরীরে অক্সিজেনের ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থেকে দ্রুত রক্ষা পেতে ওষুধ হিসেবে কালো জিরা একেবারেই অসাধারণ।

>> কালো জিরাতে রয়েছে ফসফরাস যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। শরীরের যে কোনো জীবাণুর সংক্রমণ ঠেকাতে কালো জিরা অত্যন্ত কার্যকর।

>> পেটের সমস্যা নিরাময়ে কালো জিরা অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। কালো জিরা তেল ছাড়া ভেজে, গুঁড়ো করে নিন। আধা কাপ দুধের সঙ্গে এক চিমটি কালো জিরার গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারলে পেটের সমস্যা থেকে দ্রুত রেহাই পাওয়া সম্ভব।

>> কালো জিরা অ্যান্টি টক্সিনের মতো কাজ করে। তাই প্রস্রাব স্বাভাবিক, নিয়মিত ও পরিষ্কার রাখতে কালো জিরা অত্যন্ত কার্যকর।

>> কালো জিরাতে থাকা আয়রন ও ফসফেট শরীরে অক্সিজেনের ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থেকে দ্রুত রেহাই পেতে এর ভূমিকা অতুলনীয়।

>> অনেকেরই আবহাওয়ার পরিবর্তনে বা বর্ষায় ঠাণ্ডা লেগে মাথা যন্ত্রণা বা মাথা ঝিমঝিম করতে থাকে। এই সমস্যার অব্যর্থ সমাধান হলো কালো জিরা। এক্ষেত্রে কাপড়ের পুঁটুলিতে কালো জিরা বেঁধে সেটি রোদে শুকোতে দিন। ঘণ্টা খানেক রোদে রাখার পর কালো জিরা ভরা কাপড়ের পুঁটুলি নাকের কাছে ধরলে বুকে, মাথায় জমে থাকা শ্লেষ্মা তরল হয়ে সহজেই বেরিয়ে যায়। মাথা ধরা বা মাথা ঝিমঝিমে অস্বস্তিও কেটে যায় দ্রুত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here