মঞ্চশিল্পী কল্যাণ তহবিল সংগ্রহে ‘কঞ্জুস’র ৭১৯তম মঞ্চায়ন

0
36
মঞ্চশিল্পী কল্যাণ তহবিল সংগ্রহে ‘কঞ্জুস’র ৭১৯তম মঞ্চায়ন

খবর৭১ঃ

দেশের মঞ্চনাটকের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বাধিক মঞ্চায়িত নাটক লোক নাট্যদল (সিদ্ধেশ্বরী)-এর ‘কঞ্জুস’। দেখতে দেখতে ৭০০তম রজনী অতিক্রম করেছে সর্বস্তরের দর্শকনন্দিত এ নাট্য প্রযোজনা। নিয়মিত প্রদর্শনীর ধারাবাহিকতায় আগামী ৩০ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টায় নাটকপাড়া-খ্যাত বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে লোকনাট্য দলের অনবদ্য এই নাটকের ৭১৯তম মঞ্চায়ন।

মঞ্চশিল্পী কল্যাণ তহবিল সংগ্রহে নাটকের অভিভাবক সংগঠন বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে নাটকটির বিশেষ এই মঞ্চায়ন। এতে সর্বস্তরের নাট্যপ্রেমী দর্শক-শুভাকাঙ্ক্ষীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে কল্যাণমূলক এই উদ্যোগে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঞ্চশিল্পী কল্যাণ তহবিল সংগ্রহে ‘কঞ্জুস’র ৭১৯তম মঞ্চায়ন
‘কঞ্জুস’ নাটকের একটি দৃশ্য।

১৯৮৭ সালের ৮ মে দম ফাটানো হাসির এ নাটকটি প্রথম মঞ্চে আনে লোক নাট্যদল। অর্থাৎ সর্বমহলে সমাদৃত হওয়ার মধ্য দিয়ে গেল ৩২ বছর ধরে নাটকটি নিয়মিত মঞ্চায়ন করছে লোক নাট্যদল। এতো বছর ফেরিয়েও এতটুকু কমেনি নাটকের আবেদন। বরং দিনকে দিন বেড়েই চলেছে নাটকটির জনপ্রিয়তা। ফরাসি নাট্যকার মলিয়ের-এর ‘দ্য মাইজার’ অবলম্বনে তারিক আনাম খান রূপান্তরিত এ নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন ঋত্বিক নাট্যপ্রাণ লিয়াকত আলী লাকী।

পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের জীবন-যাপন আর হাড়কিপ্টে বুড়ো হায়দার আলী খানের বিচিত্র জীবনাচারকে ঘিরে গড়ে উঠেছে দর্শকনন্দিত এই নাটকের কাহিনি। নাটকে ছেলে কাযিম আলী আর মেয়ে লাইলী বেগমের সঙ্গে তারই এক বন্ধুর কন্যা ও পুত্রের প্রেম ও সর্বক্ষেত্রে হায়দার আলীর চরম কৃপণতা চমৎকার হাস্যরস্যে ফুটে উঠেছে নাটকে। যার প্রাণবন্ত সংলাপে প্রতিমুহূর্তে হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যায় দর্শকের।

মঞ্চশিল্পী কল্যাণ তহবিল সংগ্রহে ‘কঞ্জুস’র ৭১৯তম মঞ্চায়ন
‘কঞ্জুস’ নাটকের একটি দৃশ্য।

প্রথম মঞ্চায়ন থেকে অদ্যাবধি ৮০ জনের মতো শিল্পী-কুশলী বিভিন্ন সময়ে ‘কঞ্জুস’ নাটকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন- আজিজুর রহমান, জিয়াউদ্দিন শিপন, রুবেল শংকর, মাসুদ সুমন, আবু বকর বকশি, ঈশিতা চাকি, খাদিজা মোস্তারি, শাহরিয়ার কামাল, প্রিয়াঙ্কা বিশ্বাস, স্বদেশ রঞ্জন দাশগুপ্ত ও জুলফিকার আলী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here