টেকনাফ বন্দরে বেড়েছে পিয়াজ আমদানি, কমেনি দাম

0
45
টেকনাফ বন্দরে বেড়েছে পিয়াজ আমদানি, কমেনি দাম

খবর৭১ঃ কক্সবাজারের টেকনাফ স্থল বন্দর দিয়ে আগের চেয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পিয়াজ আমদানি বেড়েছে। শনিবার টেকনাফ বন্দর দিয়ে ১১টি ট্রলারে ১ হাজার ২০৬ মেট্রিকটন আমদানিকৃত পিয়াজ খালাস করা হয়েছে।

ব্যবসায়ী সাদ্দাম, কামরুল, আবু আহমদ, যদু বাবু, শওকত, জব্বার, রুবেল, জুয়েল, সেলিম ও বাহদুরের নামে এ পিয়াজ গুলো আমদানি করা হয়।

অক্টোবর মাসেই ২০ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন পিয়াজ আমদানি করা হয়েছিল।

যা পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। তবে বিপুল পরিমাণ পিয়াজ আমদানি করা হলেও স্থানীয় ও দেশের বাজারে পিয়াজের দাম কমছে না।
এদিকে, পিয়াজ আমদানিতে সরকার রাজস্বে ছাড় দিয়েছে।

তবে বন্দরে আগের তুলনায় রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। এতে পিয়াজ সঙ্কট সমাধানে ফলফসূ হলেও রাজস্ব খাতে কিছুটা ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
টেকনাফ শুল্ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে এ বন্দর দিয়ে অক্টোবর মাসে ২০ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন পিয়াজ আমদানি হয়েছে। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে আমদানি হয় ৩ হাজার ৫৭৩ মেট্রিকটন পিয়াজ। আগস্ট মাসে এসেছে ৮৪ মেট্রিক টন।

তবে বন্দরে পর্যাপ্ত শ্রমিক ও অবকাঠামোর অভাবে আমদানিকৃত পিয়াজ খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানায় ব্যবসায়ীরা। যার ফলে এখনো খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে শত শত মেট্রিক টন পিয়াজ। তাছাড়া সমুদ্রপথে পিয়াজভর্তি একাধিক ট্রলার বন্দরে আসার পথে রয়েছে বলে জানা গেছে।
ব্যবসায়ীরা বলেন, দেশের সঙ্কট মোকাবেলায় মিয়ানমার থেকে পিয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। আমদানিকৃত পিয়াজ স্থানীয় বাজারে চাহিদা মেটানোর পর চট্টগ্রামে পাঠানো হচ্ছে। সেখান থেকে পিয়াজ সরবরাহ হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিয়ানমারে টন প্রতি পিয়াজ গড়ে ৬০-৭৫ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। বন্দর শ্রমিক ও আনুষঙ্গিক খরচসহ মিয়ানমারের পিয়াজ টেকনাফ বন্দরে কেজি প্রতি ৯৫ থেকে ৯৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে টেকনাফের বাজারেই পিয়াজের দাম একশত টাকার উপরে।

টেকনাফ বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান ও মো. আলী সওদাগর বলেন, বন্দর থেকে প্রতি কেজি পিয়াজ ৯৫ টাকা দামে ক্রয় করে তা বাজারে এনে বিক্রি করছেন ১০৫-১১০ টাকায়। উঠা-নামা ও গাড়ি ভাড়ার কারণে কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে বলে জানান।

টেকনাফ স্থলবন্দর শুল্ক কর্মকর্তা মো. আবছার উদ্দিন বলেন, ‘সামনে পিয়াজ আমদানি আরও বাড়তে পারে। আমদানিকৃত পিয়াজগুলো বন্দরের কার্যক্রম শেষে দ্রুত ট্রাকে লোড করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে। ‘

তিনি আরও বলেন, ‘অক্টোবর মাসে পিয়াজ আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আমদানিকারকরা পিয়াজ আমদানিতে ঝুঁকে পড়ায় অন্যান্য পণ্য কম আমদানি হচ্ছে। এ কারণে মাসিক রাজস্ব আদায় কম হচ্ছে। তারপরও দেশের স্বার্থে সঙ্কট মোকাবেলায় পিয়াজ আমদানি বাড়াতে আরও বেশি বেশি উৎসাহিত করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here