কেন ২১ আগস্ট

0
59
কেন ২১ আগস্ট
অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল)। চেয়ারম্যান, লিভার বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়।

খবর৭১ঃ

৩১ জুলাই এলেই বুকটা কেমন যেন দুরুদুরু করতে থাকে। আরেকটি দিন পরেই আগস্ট। আগস্টের সঙ্গে আমার কোন শত্রুতা নেই। বছর ঘুরে এই আগস্টের একটি বিশেষ দিনেই আমার বয়সের সঙ্গে যোগ হয় আরও ‘এক’। একটা সময় ঐ বিশেষ দিনটি ছিল আনন্দের, উদ্যাপনের! আর এখন আগস্ট আমার কাছে জীবন থেকে এক বিয়োগের কথা মনে করিয়ে দেয়ার উপলক্ষ। তবে জুলাই শেষের দুরুদুরু বক্ষ এই কারণে নয়। আগস্ট বাংলাদেশের জন্য অজানা শঙ্কার মাস। এই আগস্টেই ১৫, ১৭ আর ২১- একটির পর একটি কালো দিন। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট আমরা হারিয়েছিলাম জাতির পিতাকে সপরিবারে। ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশ কেঁপেছিল সিরিজ বোমা হামলায়। আর ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট, আইভি রহমানসহ আওয়ামী লীগের ২৪ জন নিবেদিতপ্রাণ কর্মীর আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা ফিরে পেয়েছিলাম বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে। যখনই আগস্ট আসি-আসি, একটা চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খায় বার-বার। কেন ১৫? তারপর কেনই বা ২১?

আমি কোন রাজনৈতিক বোদ্ধা নই। নই কোন ইতিহাসবিদও। তারপরও আমার অল্পজ্ঞানে কেন যেন মনে হয় সেই ১৫ বা এই ২১ কোন বিচ্ছিন্ন তারিখ বা ঘটনা নয়। একটু ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকান। কখনো মুঘল, কখনও ইংরেজ আর তার আগে পরে আরও অনেকেই, যে যখন পেরেছে কলমের খোঁচায় কিংবা তরবারির জোরে ক্ষমতায় বদলেছে এই উপমহাদেশের মানচিত্র। কিন্তু গোড়ায় যদি যান, আপনার পাসপোর্ট নীল বা সবুজ যাই হোক না কেন, হোক না আপনার নাগরিকত্ব বাংলাদেশী, ভারতীয় কিংবা পাকিস্তানী, সবার উৎপত্তি কিন্তু সেই ইন্ডাস সভ্যতা থেকেই। প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার চেয়েও প্রাচীনতর এই ইন্ডাস সভ্যতার আমরা আজকের যারা উত্তরসূরি, তারা আজকের বাংলাদেশ, ভারত কিংবা পাকিস্তানে বসে কখনও ভেবেও দেখি না যেÑ আমাদের পূর্ব পুরুষরা যে সময় একের পর এক আবিষ্কার আর উৎকর্ষে ইতিহাসকে সমৃদ্ধতর করছিলেন, সে সময় যারা ছিল সভ্যতার ছিটাফোঁটাও বর্জিত, সে সব দু-চারশ’ বছরের সভ্য লোকগুলোই আমাদের আজকের অজ্ঞানতা আর অবিমৃষ্যকারিতার সুযোগে আমাদের যেভাবে খুশি সেভাবে চালাচ্ছে। আমরাও বেশ খাচ্ছি-দাচ্ছি, চলছি।

’৪৭-এ দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে অখ- ভারতের বিভক্তি ছিল ইন্ডাস সভ্যতার কফিনে আধুনিক কালের সর্বশেষ পেড়েক। নিজস্ব কৃষ্টি আর সংস্কৃতি নিয়ে সদ্য সৃষ্ট পাকিস্তানে শুরুর দিকটায় দ্বিধা ছিল যথেষ্টই। তবে একটি বিষয়ে পাকিস্তানী শাসকযন্ত্রের সিদ্ধান্ত ছিল পরিষ্কার। আর তা হলো ভৌগোলিকভাবে ইন্ডাস সভ্যতার প্রাণকেন্দ্রটি নবসৃষ্ট পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হলেও, পাকিস্তান কখনও এই সভ্যতার মূল এসেন্সকে ধারণ করবে না। আর সে কারণেই ঢাকা এসে জিন্নার ঘোষণা ছিল, ‘উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা’। শুধু তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানই নয়, বরং বেলুচিস্তানসহ অন্যান্য নন-উর্দু প্রদেশগুলোর প্রতি শুরু থেকেই পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার ইনক্লুসিভের পরিবর্তে এক্সক্লুশনের নীতি গ্রহণ করেছিল। বাংলাদেশের একাত্তরের গণহত্যার সূচনা যার হাত ধরে, সেই টিক্কা খানের আরেক নাম ছিল ‘বেলুচিস্তানের কসাই’।

এই ধারার বিপরীতে ছিল বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি। যাদের ধারণা ২৬ মার্চ একজন মেজরের বাঁশির ফুঁতে দেশ স্বাধীন হয়েছিল, তারা ইতিহাস ঘাঁটলে জানতে পারবেন, এদেশের স্বাধীনতা ছিল দীর্ঘদিনের প্রস্তুতির ফসল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে বঙ্গবন্ধুসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবাদী ছাত্রনেতাদের জিন্নার ঘোষণার প্রকাশ্য প্রতিবাদ ছিল এর সূচনা মাত্র। সদ্য স্বাধীন পাকিস্তানের ‘দ্বিজাতিতত্ত্বের ব্যর্থতার স্মৃতিসৌধে’ পরিণত হওয়া যে সময়ের ব্যাপার মাত্র, তা বঙ্গবন্ধু খুব তাড়াতাড়িই অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। ’৬৬-তে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সানজিদা খাতুন ‘আমার সোনার বাংলা…’ গেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু তখন তাকে বলেছিলেন এটাই হবে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। এই সেদিন অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের লেখায় পড়ছিলাম বঙ্গবন্ধু একাত্তরের শুরুতেই কলকাতায় দুটো বাড়ি ভাড়া করার ব্যবস্থা করেছিলেন যাতে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের কাজ শুরু করতে কোন সমস্যা না হয়। এমনকি তার অবর্তমানে মুজিবনগর সরকার তাদের দিয়ে গঠিত হবে এ বিষয়ও তার ছিল সুর্নিদিষ্ট দিকনির্দেশনা। শেখ মনি, তোফায়েল আহমেদসহ চার ছাত্রনেতাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স প্রতিষ্ঠার।

কেন ২১ আগস্ট

এত প্রস্তুতির পর, এত ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে যে বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে তা কিন্তু এগিয়ে যাচ্ছিল সেই ইন্ডাস সভ্যতার স্পিরিটকে ধারণ করেই। বঙ্গবন্ধুর কূটনীতি ছিল ইনক্লুসিভ। সবার সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে সখ্য- এটাই ছিল বঙ্গবন্ধুর নীতি। যে কারণে তিনি ভারতের সঙ্গে ২৫ বছরের মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন। বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের দিকে। আবার অনেকের আপত্তি সত্ত্বেও তার সরকারের সময়ই ঢাকা সফরের সুযোগ পেয়েছিলেন ভুট্টো আর কিসিঞ্জারও। একই কারণে তাকে আমরা দেখেছি পাকিস্তানেও উড়ে যেতে ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে। আবার গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা না থাকায় তিনি বিমানবন্দর থেকে শহরে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। পরে গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে তাকে বিমানবন্দর থেকে সম্মেলনস্থলে নেয়ার ব্যবস্থা করতে বাধ্য হয়েছিল ভুট্টোর সরকার। একইভাবে সৌদি আরবের বাদশার সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ও বাংলাদেশের মর্যাদার ব্যাপারে পুরোপুরি সচেতন ছিলেন বঙ্গবন্ধু। আলজিয়ার্সে এই দু’নেতার সাক্ষাতকারটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল বঙ্গবন্ধুরই অনুরোধে। বাদশা ফয়সালের ধারণা ছিল বঙ্গবন্ধু তার কাছে অনুদান প্রার্থী। বাদশাকে অবাক করে দিয়ে বঙ্গবন্ধু অর্থ সাহায্য নয় বরং বাঙালী মুসলমানদের হজে যাওয়ার অধিকার দাবি করেছিলেন। বাদশার উত্তর ছিল সেই অধিকার পেতে হলে বাংলাদেশের নাম পাল্টে করতে হবে ইসলামিক রিপাবলিক অব বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু তাকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন দ্বিজাতি তত্ত্বের অসারত্ব। বলেছিলেন ইসলামের নামে যে দেশে গণহত্যা হয়েছে, সে দেশে সকল ধর্মাবলম্বী নাগরিকের অধিকার সমান। মনে করিয়ে দিয়েছিলেন সৌদি আরবের নামের শুরুতেও ইসলামী রিপাবলিক নেই, বরং রাজবংশের নামেই দেশটির নামকরণ করা হয়েছে। এই আলোচনার ফলাফল আমরা ইতিহাসের পাতা উল্টালেই দেখতে পাই। সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল সেদিন, যেদিন টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর জানাজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধুর সাড়ে তিন বছরের স্বল্পস্থায়ী শাসনামলে এদেশে ৫০টিরও বেশি রাষ্ট্রীয় সফর অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি তার অনন্য সাধারণ নেতৃত্বের যোগ্যতায় তিনি নিজেকে নিয়ে গিয়েছিলেন এক অনন্য উচ্চতায়। বিশ্বের নেতৃস্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সে সময় তার নাম উচ্চারিত হতো। পাশাপাশি বাংলাদেশকেও তিনি উঠিয়ে এনেছিলেন উপরে ওঠার সিঁড়িতে। ’৭৫-এ বাংলাদেশের জিডিপি ছিল ৭% উপরে। বাংলাদেশ এরপর এই জিডিপি ছুঁতে পেরেছে শুধু শেখ হাসিনার নেতৃত্বে, তার আগে কখনোই নয়। পাশাপাশি সে বছর ছিল বাম্পার ফলনের পূর্বাভাস। ’৭৬-এ বাংলাদেশের হওয়ার কথা ছিল অন্যরকম।

বাংলাদেশের এমনিতর সাফল্য কিন্তু মোটেও অপ্রত্যাশিত ছিল না। আজকের বাঙালী অধ্যুষিত যে ভূ-খ- তার ইতিহাস হাজার বছরের। এমনটি বলার কারণ প্রথম বাংলা পাণ্ডুলিপি চর্যাপদের ইতিহাস ঐ হাজার বছরেরই। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় এই দীর্ঘ সময় এই ভূ-খ-ের মানচিত্র বহুবার বদলেছে, বদলেছে শাসকরাও। আমরা শাসক হিসেবে পেয়েছি অনেককেই। এই দীর্ঘ তালিকায় ছিলেন এমনকি আফ্রিকার হাবসি ক্রীতদাসও। ছিলেন না কোন বাঙালী। পাল শাসনামলে বাংলা আর বাঙালীর বিকাশ ইতিহাস স্বীকৃত। কিন্তু পাল রাজারা বাঙালী ছিলেন কি-না এ নিয়ে ঐতিহাসিকদের বিভক্তি আছে। যে সিরাজউদ্দৌলাকে আমরা বাংলার শেষ স্বাধীন শাসক বলে চিনতে শিখেছি তিনি ছিলেন অবাঙালী। পলাশীর প্রান্তরে সিরাজের বাহিনী যখন ক্লাইভের কাছে অসহায়ভাবে মার খাচ্ছিল, তখন আশপাশের গ্রামবাসীরা তার সমর্থনে এগিয়ে এলেও এই ভূখণ্ডের  ইতিহাস হয়তো অন্যভাবে লেখার প্রয়োজন পড়তো। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। মানুষ মনে করেছিল এক বিদেশী শাসকের জায়গায় অন্য শাসক আসছে। এতে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে সামান্যই। একইভাবে ক’দিন আগেও যে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজিকে আমাদের জাতির পিতা বানাবার চেষ্টা হয়েছিল সে ভদ্রলোকও আরব থেকেই এদেশে এসেছিলেন এদেশের সম্পদের লোভে।

বঙ্গবন্ধু শুধু হাজার বছরের মধ্যে বাঙালী অধ্যুষিত কোন ভূ-খ-ের প্রথম বাঙালী শাসকই নন, তিনি এই অঞ্চলের প্রথম জাতি রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা এবং পিতাও বটে। এক জাতির এক দেশ যে আজকের এই বাংলাদেশ তার উদাহরণ শুধু আমাদের অঞ্চলেই নয় বরং বিশ্বেও বিরল। বাঙালীদের সম্বন্ধে গোখলে বলেছিলেন, ‘বাঙালীরা আজকে যা ভাবে, তা অবশিষ্ট ভারত ভাবে আগামীকাল’। এমনি যে বাঙালী জাতি, তার কা-ারী যদি হন বঙ্গবন্ধুর মতো অসম্ভব দূরদৃষ্টি সম্পন্ন, অনন্য সাধারণ একজন নেতা আর সেই জাতি যখন পায় তার নিজের দেশ, তখন তারা যে বিশ্ব কাঁপাবে- দাপাবে এমনটাতো প্রত্যাশিতই ছিল।

এমন একটা দেশ সফল হোক তেমনটা কারও চাওয়াতেই থাকার কথা নয়। কাজেই একটি ১৫ আগস্ট মোটেও অপ্রত্যাশিত ছিল না। যা অপ্রত্যাশিত ছিল তা হলো কিছু বাঙালীর হাতে সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকা-। এমনটি কখনও বিশ্বাস করতে পারেননি জাতির পিতাও। যে কারণে তিনি নিজের মানুষগুলোর ওপর আস্থা রেখেছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর অকাল প্রয়াণের পর বাঙালীর আর বাংলাদেশের ইতিহাস শুধু পিছিয়ে চলার। পাকিস্তান অনুগত একের পর এক শাসক এ সময় আমাদের শুধু মিথ্যাটা শিখিয়েছে আর ভুলটা বুঝিয়েছে। আমরা শিখেছি কোন এক মেজরের এক ঘোষণায় হানাদার বাহিনীকে উড়িয়ে দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী। আমরা জয় বাংলা ভুলে আপন করেছিলাম বাংলাদেশ জিন্দাবাদকে আর বিশ্ব মিডিয়ায় বানভাসি মানুষ কিংবা উড়ির চরের লাশের মিছিলে বাংলাদেশকে দেখে গর্বিত হতে শিখেছিলাম। সেই বাংলাদেশকে এই বাংলাদেশ বানাতে হলে দরকার ছিল বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকার আর সঙ্গে তার হাতে গড়া সংগঠন, এ কথা আর কেউ না জানলেও জানতো তারা, যারা বাংলাদেশকে ব্যর্থরাষ্ট্রে পরিণত করতে ’৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর থেকেই সক্রিয়। আর সে কারণেই ২১ আগস্ট। এবারের লক্ষ্য ছিলেন শেখ হাসিনা আর সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব। স্রষ্টার অসীম কৃপায় সে যাত্রায় বেঁচে গেছে বাংলাদেশ। কারণ ১৫-এর মতো ২১-এর হামলাও কোন ব্যক্তি বা দলের বিরুদ্ধে নয়, এটা ছিল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে।

কেন ২১ আগস্ট

২১ ব্যর্থ বলেই আজ সফল বাংলাদেশ। ’৭৫-এ আবারও আমাদের প্রবৃদ্ধি ৭% ঘরে এবং ক্রমেই তা উর্ধমুখী। আবারও দেশ আর আঞ্চলিকতার সীমানা পেরিয়ে বিশ্ব নেত্রী আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পদ্মার বুকে সেতু আজ যেমন স্বপ্ন নয় বাস্তবতা, তেমনি ’৪১-এ উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার বাংলাদেশের স্বপ্নও সম্ভবত তার আগেই বাস্তব হতে যাচ্ছে। ১৫ আগস্টের কুশীলবরা আবার সক্রিয় হবে সেটাই স্বাভাবিক। এ কারণেই ১৫’র পর ২১ এসেছিল। ইদানীং কখনও পদ্মা সেতুতে কল্লা চাই তো কখনও ছেলেধরা, আবার সাম্প্রতিক চামড়াবাজি কেন যেন সে রকমই ইঙ্গিত দেয়। অতএব আমরা যদি আবারও পিছনে হাঁটতে না চাই তাহলে একটু বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন খুব বেশি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here