আইসিজের রায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়ক হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

0
57
আইসিজের রায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়ক হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

খবর৭১ঃ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সংসদে জানিয়েছেন, যে কোন প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াই জটিল ও দীর্ঘমেয়াদী। রাখাইন রাজ্যে যথাযথ সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির জন্য বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মহলকে সাথে নিয়ে মিয়ানমারকে রাজি করানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস আইসিজে’র দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করবে। একইসঙ্গে সেখানে রাখাইন নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

ফলে বাংলাদেশের শিবিরগুলোতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে আস্থা জোগাবে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে একাদশ সংসদের ষষ্ঠ অধিবেশনে আজ টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মুজিবুল হক চুন্নু (কিশোরগঞ্জ-৩) প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, ওআইসি’র পক্ষ থেকে গাম্বিয়া জেনোসাইড কনভেনশনের আওতায় জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে।

এই মামলার শুনানি শেষে গত ২৩ জানুয়ারি রায় প্রদান করা হয়েছে। আইসিজেতে শুনানিকালে মিয়ানমারের সর্বোচ্চ নেতা অং সান সুচি তাঁর দেশের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করলেও জাতিসংঘের এই সর্বোচ্চ আদালত রোহিঙ্গা মুসলমানদের গণহত্যা প্রতিরোধে মিয়ানমারকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। মন্ত্রী জানান, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ শীঘ্রই রাখাইন রাজ্যে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করবে এবং দ্রুত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়। একইসঙ্গে সেখানে রাখাইন নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। ফলে বাংলাদেশের শিবিরগুলোতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে আস্থা জোগাবে।

তিনি আরও জানান, রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের পাশাপাশি অন্যান্য দেশ ও ফোরামে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে ৫ম যৌথ ওর্য়কিং গ্রুপের বৈঠকে মিয়ানমারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যা বিদ্যমান সমস্যা সামাধনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here